ই-কমার্স ব্যবসায় ওয়েবসাইটের গুরুত্ব

benefits of e-commerce website

 

ওয়েবসাইট ছাড়া ই-কমার্স ব্যবসা হয় না! ওয়েবসাইট ছাড়া যদি আপনি ফেইসবুক এর মাধ্যমে ব্যবসা করেন, তাহলে সেটা হচ্ছে এফ-কমার্স। আমরা অনেকে এফ-কমার্সকে  ই-কমার্স মনে করি। আজকাল আমাদের দেশে অনেক অনলাইন উদ্দ্যেক্তা তৈরি হয়েছে, বিশেষ করি ২০২০ সালের লকডাউন এর পর থেকে উদ্যোক্তার সংখ্যা অনেক বেড়েছে। সেই সাথে অবশ্য কাস্টমার এর সংখ্যা ও বেড়েছে।

এই ই-কমার্স এর জন্য সরকারী অনেক নীতিমালা রয়েছে, আমরা হয়ত অনেকে এই ব্যপারে উদাহসীন। আজকাল নামে বেনামে অনেক ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। আবার অনেক কোম্পানির বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ ও শুনা যাচ্ছে। আবার অনেকে ই-কমার্স ব্যবসার আড়ালে এম এল এম ব্যবসা ও শুরু করছে। ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই কিছু পড়ালেখা করতে হবে। পড়ালেখা বলতে আমি বই খাতা নিয়ে পড়তে বসার কথা বলছি না। “ই-কমার্স ব্যবসা” এই কি-ওয়ার্ড লিখে গুগুলে সার্চ দিন। প্রথম যে ১০-২০ টা রেজাল্ট আসবে সম্ভবব হলে আপনি সব গুলো লিখা পড়ে নিন। খুব সহজে আপনি একটি সঠিক ধারণা পেয়ে যাবেন। আজকাল ইউটিউবে ও অনেক তথ্য পাওয়া যায়।

ধরে নিলাম আপনি ইন্টারনেটে গাটাগাটি করে কিভাবে ব্যবসা করতে হয় তার একটা সঠিক গাইড লাইন বুজেছেন। এখন ইন্টারনেট এ ব্যবসা করতে গেলে যেমন সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ট্রেড লাইন্সেন্স দরকার হয়, তেমনি পন্য বিক্রি করতে আপনার একটি ওয়েবসাইট দরকার হয়। ওয়েবসাইট থাকলে আপনার প্রতি কাস্টমারের বিশ্বাস অনেক গুন বেঁড়ে যায়। আজকাল ফ্রি-তে আপনি চাইলে ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন। ওয়েবসাইট কিভাবে বানাবেন এই নিয়ে আমার একটা লিখা আছে, সময় থাকলে পড়ে আসতে পারেন।

ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসায় কি কি গুরুত্ব ভূমিকা রাখতে পারে তার একটা লিস্ট দেওয়ার চেস্টা করছি।

১। দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসাঃ আজকাল আমরা ফেইসবুক পেইজ থেকে প্রোডাক্ট কিনতে অনেক ভয় কাজ করে, যদি টাকা মেরে দেই, কিংবা যদি অরজিনাল পন্য না পাই। পেইজবুক পেইজ খুলতে কিন্তু টাকা লাগে না, তাই বিশ্বাস করাটা ও একটু কনফিউশন ব্যপার।    

২। কাস্টমার রি টারগেটিংঃ কোন কাস্টমার যদি একবার পন্য ক্রয় করে আপনার ওয়েবসাইট থেকে, তাহলে পরবর্তী খুব সহজে আপনি ঐ কাস্টমারকে টার্গেট করে অন্য পন্যের বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন।

৩। ওয়েবসাইট থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টঃ আপনি যদি ওয়েবসাইটে কোন পোস্ট করেন, তাহলে তা অটোমেটিক সোশ্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট হয়ে যাবে, এতে আপনার সময় এবং কস্ট দুটাই বাঁচবে। কিন্তু আপনি যদি সোশ্যাল মিডিয়াতে আগে পোষ্ট করেন তাহলে তা ওয়েবসাইটে অটোমেটিক পোষ্ট হওয়ার সম্ভবনা নেই।

৪। কাস্টমারের বিশ্বাস অর্জনঃ আপনি যখন শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়াতে সীমাবদ্ধ না থেকে ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে ও ব্যবসা করবেন, তখন আপনার প্রতি কাস্টমারের বিশ্বাস অনেক গুন বেঁড়ে যাবে।

৫। কোম্পানির প্রোফাইল ভাড়ি হওয়াঃ একটা কোম্পানির প্রোফাইল ভাঁড়ি হওয়ার জন্য ওয়েবসাইট খুব গুরুত্ব ভূমিকা পালন করে। ওয়েবসাইট এর মাদ্ধমে বিশ্বের যে কোন দেশ থেকে যে কেউ আপনার কোম্পানি সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে সহজ হয়।

৬। একসাথে অনেক প্রোডাক্ট মেনেজমেন্টঃ ওয়েবসাইট এর মধ্যমে খুব সহজে প্রোডাক্ট মেনেজমেন্ট করা যায়। এখানে অনেক রকম ফিল্টার অপশন রয়েছে, যার সাহায্যে আপনি মাল্টি সিলেক্ট করে ও কাজ করতে পারবে, ক্যাটাগরি অনুযায়ী কাজ করতে পারবেন। 

এই ছাড়া ও আরো অসখ্য লাভ রয়েছে। ওয়েবসাইট থাকলে কি কি লাভ হয়? এই  টপিক এর উপর আমার আরেকটি লেখা আছে, চাইলে পড়ে আসতে পারেন। ধন্যবাদ কস্ট করে পড়ার জন্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *